আজ: সোমবার | ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ | ৪ মাঘ, ১৪২৭ | ৪ জমাদিউস সানি, ১৪৪২ | রাত ৪:২৪

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

Home » স্বাস্থ্য » অ্যান্টিবডির আয়ু মাত্র ৭ মাস!

আল-আরাফাহ্’র টাকা মেরে দিয়েছেন অনেকেই

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১২:১৭ অপরাহ্ণ | বাংলাদেশ বার্তা | 121358 Views

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াত চক্রের অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন। জাল দলিলের মাধ্যমে মর্টগেজ (বন্ধক) দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণের কমিশন নিয়ে কেউ কেউ চলে গেছেন বিদেশে। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত অনেক কর্মকর্তাও চাকরি ছেড়ে বিদেশে পালানোর চেষ্টায় রয়েছেন বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। বিশেষ করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পরও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। ফলে এই ফাঁকে জালিয়াত চক্রের অনেকেই সটকে পড়ছেন বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে, এই জালিয়াত চক্রে রয়েছে চারটি গ্রুপ। প্রথমত ঋণ গ্রহীতা, দ্বিতীয়ত ভুয়া দলিলপত্র তৈরিকারী, তৃতীয়ত ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তিন পক্ষকে কমিশন দিতেই ঋণ গ্রহীতার একটি বড় অংক চলে যায়। ফলে পরবর্তীতে এসব ঋণ আদায়ে মহাবিপদে পড়ে ব্যাংক।

জানা গেছে, আল-আরাফাহ্ ব্যাংকের খিলক্ষেত শাখা এই চক্রের মাধ্যমেই হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। বিশাল বড় বড় অংকের এসব ঋণ প্রদানে মানা হয়নি কোনো নিয়মনীতি। মর্টগেজের দলিলপত্র যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়নি। এসব দলিলপত্রের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই। বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাংকের বাইরে থাকা ঋণগ্রহীতা ও জাল দলিল ও ডকুমেন্ট তৈরিকারী চক্র গা ঢাকা দিয়েছে। আর ভেতরে থাকা ব্যাংকের সিন্ডিকেটে থাকা কর্মকর্তারা পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নানাভাবে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করছে।

সূত্রমতে, ব্যাংকের টাকা মেরে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করে আত্মীয়স্বজনের নামে কানাডা-আমেরিকা, দুবাই ও থাইল্যান্ডে বাড়ি করেছেন অনেকেই।

এদিকে গ্রাহকদের উদ্বেগ কমানোর কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। উদ্বিগ্ন গ্রাহকরা প্রতিদিন বিভিন্ন শাখায় ভিড় করছেন তাদের আমানত তুলে নিতে।

সূত্র জানিয়েছে, আল-আরাফাহ্ ব্যাংকের ঋণের নামে টাকা মেরে যারা বিদেশে পাচার করে বাড়ি করেছেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।



Comment Heare

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: