আজ: বুধবার | ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ৭ আশ্বিন, ১৪২৮ | ১৪ সফর, ১৪৪৩ | রাত ২:০৯

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

Home » বিনোদন » আবারও সুখবর দিলেন মিথিলা

কাঁদছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

২৬ জুলাই, ২০২১ | ৫:০২ অপরাহ্ণ | বাংলাদেশ বার্তা | 84654 Views

মাওলানা রেদওয়াউল্লাহ মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ:

ড.এম ওসমান ফারুক; শিক্ষামন্ত্রী ২০০৫ বাংলাদেশ সরকার। তার সময়ের শেষ দিকে বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি অন্যতম গজব যুক্ত হয় যা হলো ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা’। কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল?
হয়তো তারা উত্তর দিবে, ভালো ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার জন্য এ পদ্ধতি তারা হাতে নিয়েছে। তার মানে কী দাঁড়ালো? ১৬ বছর পড়াশোনা করে যোগ্য হতে পারেনি কোন ছাত্র। নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য হতে হবে। হাস্যকর বিষয়। এ এক তামাশার পদ্ধতি চালু করলো তারা।
তাদের দ্বিতীয় উত্তর হতে পারে নিয়োগের স্বচ্ছতা। প্রশ্ন হলো তখন কি নিয়োগ বোর্ড দিতো না কমিটি দিতো? অবশ্যই কমিটি। তাহলে কেন এ বাড়তি ঝামেলা? নিবন্ধন পরীক্ষা আবার কমিটির নিয়োগ পরীক্ষা। এ কেমন পদ্ধতি? নাকি টাকা ইনকাম করাই তাদের মূল লক্ষ্য? যা-ই হোক তবুও কমিটির হাতে নিয়োগ থাকায় শিক্ষক প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিতে পারতো।
কিন্তু বর্তমান? নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ। এরপর কমিটি চাহিদা পাঠাবে বোর্ডে। বোর্ড নিয়োগ দিবে শিক্ষক। ভালো উদ্যোগ। কিন্তু প্রশ্ন হলো বোর্ড কি প্রতি বছর শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে? যদি না দেয় তাহলে প্রতি বছরই প্রতিষ্ঠানে কম বেশি শিক্ষক অবসর বা মৃত্যু জনিত কারণে পোস্ট খালি হচ্ছে। এই পদ গুলোর নিয়োগ কখন হবে? ২/৩ ৫ বছর পর্যন্ত খালি থাকে। নিয়োগ দিতে পারে না কমিটি। এনটিআরসিএ ও নিয়োগ দিচ্ছে না। তাহলে প্রতিষ্ঠান এবং ছাত্র ছাত্রী যে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এর উত্তর কে দিবে? এ দায় কার? আছে কি কোন সঠক উত্তর? নেই। তাই আমরা অনুরোধ করবো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে নিবন্ধন পরীক্ষা বাতিল করা হোক। এবং নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে হোক। তাহলে প্রতিষ্ঠানগুলো কোন শিক্ষক সংকট থাকবে না এবং ছাত্রছাত্রীরাও তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।
বর্তমানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। যা বিভিন্ন মামলার কারণে বন্ধ আছে। প্রশ্ন হলো আসলেই কি এই ৫৪ হাজার? না পরবর্তী প্রায় দু’বছরে আরো কিছু প্রতিষ্ঠানে পদ খালি হয়েছে। তাহলে এদের কী হবে? তাদের কাছে কবে চাহিদা চাইবে আর তারা চাহিদা পাঠাবে। এরপর নিয়োগ। এ যেন তীর্থের কাকের মতো। তারাতো পরীক্ষার নামে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছে। ক্ষতি হচ্ছে কারা? ক্ষতি হচ্ছে -শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো; সঠিক সময়ে শিক্ষক পাচ্ছে না। ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হাজারো যুবক। বাড়ছে শিক্ষিত যুবকের সংখ্যা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হাজারো পরিবার। কমছে শিক্ষক পেশার প্রতি আগ্রহ। মেধাবীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে জাতি গড়ার কারিগর এ প্রতিষ্ঠান থেকে।
সুতরাং আসুন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বাতিল করে ২০০৫ এর পূর্বে ন্যায় আবারও কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে ফিরিয়ে আনা হোক প্রতিষ্ঠানের কাক্সিক্ষত মান।



Comment Heare

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: