আজ: বৃহস্পতিবার | ২ ডিসেম্বর, ২০২১ | ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ | ২৬ রবিউস সানি, ১৪৪৩ | সকাল ৯:৫৭

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

Home » মতামত » “আমিই বাংলাদেশ”

ধর্ষণের স্বীকার প্রতিবন্ধী এখন মা

১৬ নভেম্বর, ২০২১ | ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ | বাংলাদেশ বার্তা | 442 Views

বাংলাদেশ সংবিধানে নারী ধর্ষণ আইণে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যু দন্ড থাকলেও তার বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন থানায় নারীদের উপর জুলুম, অত্যাচার, নিপীড়িন ও ধর্ষণের স্বীকার হতে হয় প্রতি নিয়ত। এছাড়া দেশের ভবিষ্যৎ ও উজ্জল করার জন্য ছেলে-মেয়েদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান অভিভাবকরা। কিন্তু দুঃখের বিষয় সে দেশ গড়ার কারিগরদের হাতে ধর্ষণের স্বীকার হতে হয় স্কুল ছাত্রী থেকে বিভিন্ন প্রতিবন্ধী অসহায় নারীদের। এমন এক ঘটনা ঘটেছে গত জামালপুর ইসলামপুর কাঠমা গ্রামের জলিল মিয়ার প্রতিবন্ধী এক মেয়ের। প্রতিবন্ধী তার বাড়িতে একা ঘুমিয়ে ছিল, তার মা ও বোনেরা সকলেই জামালপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে তার ছোট ভাই এর কঠিন রোগের চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই মাস হাসপাতালে থাকেন। সেই সুযোগে লম্পট সহকারী শিক্ষক সুরুজ্জামান সুজন তার ঘরে এসে তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের কিছুদিন পরেই প্রতিবন্ধীর শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয়। পরে বিষয়টি তার আত্মীয়-স্বজনকে জানান। তখনিই তার মা ইসলামপুর থানায় গিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আদালতে পৌছানোর পরেও লম্পট সুরুজ্জামানের চাচা সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মাসুদ রানা (লেবু) এবং মোজাম্মেল হক (সাবেক চেয়ারম্যান) এর মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে উচ্চ আদালত থেকে তার ভাতিজা লম্পট সুরুজ্জামান সুজনের ধর্ষণ মামলার জামীন করান। জামীন নিয়ে লম্পট এলাকায় ফিরে প্রতিবন্ধীর পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকী দেয়। এছাড়া আদালতে দায়েরকৃত মামলা চলমান রহিয়াছে। গত ২৭ মেপ্টম্বর দিবাগত রাত ১টায় প্রতিবন্ধী একটি মৃত বাচ্চা প্রস্রব করে। বাচ্চার পিতা কে? সনাক্ত করার লক্ষ্যে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার ইনচার্জ মাজেদুর রহমান বিপি- ৭৬০১০১০৪৪২ ও তদন্ত অফিসার মোঃ কবির হোসেন বিপি- ৮৫১১১৪৫১৩২ ঘটনা জেনে দায়েরকৃত মামলাটি পর্যালোচনা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০৩ সংশোধনী ধারায় রুজু করেন। তার প্রেক্ষিতে আদালতের কর্তব্যরত জুডিসিয়াল ম্যাজেষ্ট্রেট তানভীর আহমেদ জি.আর নং- ১২৭(২) ২১ ইং আদেশ নামায় ডি.এন এ পরীক্ষার জন্য মৃত শিশুটির শরীরের হাড়, চামড়া ও চুল ঢাকা মালিবাগ সিআইডির ডি.এন.এ ল্যাবরেটরী অফিসে পাঠিয়ে দেন। এ ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল পাল্টানোর জন্য প্রভাবশালী প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন (চেয়ারম্যান) দলীয় তদবীরকারী মোঃ মাসুদ রানা (লেবু) এবং মোজাম্মেল হকের মাধ্যমে ঢাকা সিআইডি ভবনে ডিএনএ রিপোর্টটি তাদের স্বপক্ষে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে ম্যানেজের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে জামালপুরের সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।



Comment Heare

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: