আজ: শুক্রবার | ১৪ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | বিকাল ৪:২৬
বন্দর

ফিট ক্রিকেটাররা, তৈরি ক্যাম্প স্কোয়াড

বাংলাদেশ বার্তা | ১৫ জুলাই, ২০২০ | ৫:১১ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কবে মাঠে ফিরবেন সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চয়তা মেলেনি। দিন গড়াতে গড়াতে চার মাস হতে চলল। এই সময়টাতে ঘরবন্দি হয়ে থাকা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। তবে অনুশীলনের সুযোগা না পেলেও ফিটনেস ঠিক রাখতে সম্ভাব্য সবকিছুই করে গেছেন ক্রিকেটাররা। নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধমে ক্রিকেটারদের ফিট থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিসিবি।

করোনাকালীন কোচ, ক্রিকেটারদের নিয়মিত অনলাইন সেশনের আয়োজন করেছে বোর্ড। এই বিষয় নিয়ে টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক বলেন, ‘আমরা সবাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠে ফিরে যেতে চাই। একজন ক্রিকেটারের জন্য অনুশীলন করতে না পারা ও খেলতে না পারার চেয়ে হতাশার আর কিছুই হতে পারে না। সেজন্যই সভাগুলো আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা কিনা আমাদের ক্রিকেটের প্রতি মনোযোগী থাকতে সাহায্য করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সিনিয়র, জুনিয়র সকল সদস্যই এ সভায় বেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন এবং সতীর্থ ও কোচদের সঙ্গে তাদের আইডিয়াগুলো শেয়ার করছেন। এখানে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরে সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। তাছাড়া এখানে আমাদের টেস্ট পারফর্মেন্স ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং আমরা আলোচনা করেছি যে কি করে সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারি। আমি বিশ্বাস করি সকলেরই এখন নিজের জন্য যথেষ্ট সময় আছে। এ সময়ে সবাই সবার খেলা নিয়ে আরো স্বচ্ছভাবে ভাবতে পারবে এবং বুঝতে পারব যে আমাদের কি করা উচিত ও কি করা উচিত নয়।’

এদিকে ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরানোর জন্য কন্ডিশনিং ক্যাম্প ও হাই পারফর্মেন্স ক্যাম্পের স্কোয়াড তৈরি করে রেখেছেন নির্বাচকরা। তাদের ধারণা অনুযায়ী জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে মাঠে ফেরানোর সম্ভাবনা ছিল ক্রিকেটারদের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে না যাওয়া এই মাসের আর সেটি সম্ভব। এখন বিসিবির সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই শুরু হবে ক্যাম্প। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর মতে, সেটি হতে পারে আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে।

তিনি বলেন, ‘মধ্য আগস্ট নাগাদ ক্যাম্প শুরু হতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে পরিস্থিতি কেমন থাকে, তার ওপর। সরকারের অনুমতি পেলেই কেবল শুরু করা সম্ভব। তবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে রাখছি। কন্ডিশনিং ক্যাম্পের জন্য দল আগেই করা আছে। কালকে (রোববার) এইচপি দল নিয়ে কাজ করলাম।’

কন্ডিশন ক্যাম্পের জন্য ৩৮ জন ক্রিকেটারকে স্কোয়াডে রাখা হয়েছে। এখানে মূলত জাতীয় দলের রাডারে থাকা ক্রিকেটাররাই থাকবেন। আর এইচপি স্কোয়াডের জন্য ২৮ জনকে নেয়া হয়েছে বলে জানান মিনহাজুল। তবে দুটো ক্যাম্পই অনুষ্ঠিত হবে আলাদা জায়াগায়, ‘অনুমতি পেলে হয়তো এক সপ্তাহের মধ্যেই এই দুটি ক্যাম্প শুরু হবে। এক জায়গায় তো আর ক্যাম্প হবে না, এইচপি হয়তো ঢাকার বাইরে কোথাও হবে। জাতীয় দলের ক্যাম্পের জন্য ৩৮ জনের নাম আছে, এইচপির জন্য আপাতত ২৬। তারপর অনুশীলন শুরু করার অবস্থা বুঝে দুই দলের সমন্বয় করে সংখ্যা এদিক-সেদিক হবে।’

এইচপি ক্যাম্পে এবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রিকেটার থাকছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দল থেকে। তবে মিনহাজুল জানালেন, প্রিমিয়ার লিগ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা বড় বিপত্তি হয়ে এসেছে দল গড়ায়, ‘গতবারের বেশ কিছু ক্রিকেটার এবারো থাকছে এইচপিতে। যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অনেককে রেখেছি। একটা বড় সমস্যা হয়েছে প্রিমিয়ার লিগ না হওয়ায়। সাধারণত প্রতিবারই আমরা প্রিমিয়ার লিগের পারফর্মেন্স দেখে কিছু ক্রিকেটার নেই।

গতবারও বিপ্লব (আমিনুল ইসলাম), নাঈম শেখদের নিয়েছি প্রিমিয়ার লিগ দেখে। এবার সেই সুযোগ নেই। তারপরও আমরা অপশন রেখে দিচ্ছি। কিছু ক্রিকেটারকে পরে যোগ করতে পারি। সবকিছুই আসলে নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। কখন অনুশীলন শুরু হয়, ঢাকা লিগ হয় কিনা, সময়ই অনেক কিছু ঠিক করে দেবে।’





এই বিভাগের আরো সংবাদ




Leave a Reply

%d bloggers like this: