আজ: বুধবার | ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ৯:৫৭
শিক্ষা

বন্দরে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান

বাংলাদেশ বার্তা | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৪:৩৩ অপরাহ্ণ

বন্দরে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান এর আওতায় ১৩২ জন প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা উপবৃত্তি চেক প্রদান করা হয়েছে। বন্দর উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে বন্দর উপজেলা অডিটোরিয়ামে তাদের হাতে এ চেক তুলে দেয়া হয়।

এতে প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুক্লা সরকার।

জানাগেছে,১থশ ৩২ জন প্রতিবন্ধীদের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ৪ হাজার ৫থশ টাকা করে,মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ৪ হাজার ৮থশ করে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের  প্রত্যেককে ৫ হাজার ৪থশ টাকার চেক প্রদাণ করা হয়।

বন্দর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এসএম মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালিমা হোসেন শান্তা।

এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা ফিল্ড সুপারভাইজার আফরোজা খানম, মেম্বার আঃ সালাম,মহিলা মেম্বার মাসুদা বেগম, সমাজ কর্মী সারোয়ারী সুলতানা, তপন কৃষ্ণ দাস, মনির হোসেন প্রমুখ।

আমি মোসাম্মৎ ফাতেমা বেগম স্বামী মোঃ জিয়াউল হক সাং: নিসং (মোল্লা বাড়ি), থানা: বন্দর, জেলা: নারায়ণগঞ্জ এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা । গতবছর ৩১/০৭/১৯ইং বিবাদী ১) রিয়াজুল হক,২) নূরুল ইসলাম, ৩) সামসুল হক, ৪) সাইদুর রহমান ঠিকানা:( উপরের উল্লেখীত ঐ) আমাদের বাড়ির রান্না ঘরের চাল লাগানোকে কেন্দ্র করে ইচ্ছাকৃত অযথা আমার স্বামী জিয়াউল হক ও ছেলে ফরহাদ হোসেন এবং আমাকে (ফাতেমা) বেধড়ক লাঠি, হকি, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় যার ফলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তপাত,নীলাফুলার সৃষ্টি হয় এবং আমার ১ ভরি স্বর্ণের চেইন, ২টি মোবাইল ফোন ভাংচুর সহ নানা ধরনের ক্ষতি করে। ঐদিন (৩১/০৭/১৯ইং) আমি বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করি। এরপর শালিসি বিচারের নামে মিথ্যা কথা বলে ডেকে নিয়ে মসজিদে সামনে আমার স্বামী ও ছেলেকে আবারও মারধর করে তারপর ১৭/০৮/১৯ইং তারিখে আমি বন্দর থানায় ডাক্তারী সার্টিফিকেটসহ সাধারণ ডায়রি করি (নং-৫৯৩)। আমরা মামলা করতে চাইলেও পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে না পারায় পুলিশ মামলা নেয়নি। ঘটনার শুরু থেকেই যদি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতো তাহলে আসামিরা বারবার মারধর করার সাহস পেত না। বিগত ০৭/০৬/২০২০ইং তারিখে পূণরায় দাদার ঘরের গৃহস্থালি জিনিস প্লেট, গ্লাস, বন্টনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূনরায় বিবাদী (১) সামসুল হক (৪৬) ২) রিয়াজুল হক (৩৮), ৩) সাইদুর রহমান (৪০) সর্বপিতা: মৃত ছগির আহমেদ, (৪) বাচ্চু মিয়া (৩৩), (৫) সজীব মিয়া (৩১), (৬) মিতু আক্তার (২৭), যাদের সর্বপিতা: সামসুল হক ঠিকানা: ( উপরের উল্লেখীত ঐ) সহ ৭-৯ জন আমার বাড়ির উঠানে আমার স্বামী মোঃ জিয়াউল হক ও আমার ছেলে ফরহাদ হোসেনকে এবং আমাকে (ফাতেমা) বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র হকি,দাসা,বঁটি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তপাত,জখম,নীলাফুলা এবং মাথায় আঘাত করে রক্তফুলা সৃষ্টি করে। আমাদের চিৎকার শুনিয়া এলাকার আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে আমাদের উদ্ধার করে । ঘটনাস্থলে মদনগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ এসে আসামি ধরে আবার ওই স্থানেই টাকা (ঘুষ) নিয়ে আসামি ছেড়ে দিয়ে চলে যায় এমনকি পুলিশ লিখিত অভিযোগ নেয়নি ও সাধারণ ডায়েরি করতে চাইলে পুলিশ জানায় মেম্বার চেয়ারম্যান বিচার করবে । আসামিরা স্থানীয় বকাটেদের সাথে সমাজের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার কারণে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জনপ্রতিনিধিরাও মান-সম্মানের ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার বিচার-সালিশ করার উদ্যোগ নিতে অগ্রসর হয় না ‌। যাহার প্রমাণ বিবাদী সামসুল হক ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে তিতাস গ্যাস কোম্পানির সোনারগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ জাফরুল আলম কর্তৃক বাদী হয়ে গত ১৪ই নভেম্বর ২০১৯ তারিখে গ্যাস চুরির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন । তাই এখন পর্যন্ত কোনো বিচার সালিশ মেম্বার চেয়ারম্যানগণ করে নাই । বিবাদীগন প্রায় প্রতিদিনই আমার পরিবারের সদস্যদের জখমের ভয়ভীতি, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও খুন করে গুম করিবে বলিয়া হুমকি প্রদান করে আসছে তারপর বন্দর থানার পুলিশকে বিষয়টি জানানোর পর ২৫/০৬/২০২০ইং  লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে । তারপর পূনরায় ১২/০৮/২০২০ইং তারিখে  লিখিত অভিযোগ ও ০১/০৯/২০২০ইং তারিখে জিডি/সাধারণ ডায়রি করি। আসামিরা এখনো নির্দ্বিধায় আমাদের নানা ধরনের কুরুচিপূর্ণ উস্কানি সূচক কথাবার্তা ও হুমকি প্রদান করে আসছে। প্রত্যক্ষদর্শী +সাক্ষী +প্রমাণ + ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন সবই আছে তারপরও পুলিশ অজ্ঞাত কারণে এদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করে নাই ।

অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন যে, এমনতাবস্থায় ৩ বার আমার পরিবারকে মারধর ও জখম-রক্তপাত করে। আমাদের ১ ভরি স্বর্নের চেইন+ ২টি মোবাইল ভাংচুর+ হাসপাতাল খরচ+ ডাক্তার খরচ+ ওষুধ খরচ+ পুলিশ+ যাতায়াত খরচ+ শারীরিক ক্ষতি/ব্যথা/দাগ+ কর্মক্ষেত্রে উপস্থিত না হওয়ায় চাকরি চলে যাওয়া সহ নানাভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। সমাজে মানহানি হয়েছে। এসব প্রমাণসহ বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা আছে ( ৩১/০৭/১৯+ ০৭/০৬/২০২০+ ১২/০৮/২০২০+ জিডি- ১৭/০৮/১৯+ ০১/০৯/২০২০ইং মামলা-১৪/১১/১৯ইং-তিতাস গ্যাস সিন্ডিকেট) । এগুলো জন্য আপনার কাছে আমরা জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের আবেদন করছি ও উক্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করার মাধ্যমে যেন আমাদের জীবনের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করা হয় এই প্রার্থনা করছি।





এই বিভাগের আরো সংবাদ




Leave a Reply

%d bloggers like this: