আজ: বুধবার | ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ৭ আশ্বিন, ১৪২৮ | ১৪ সফর, ১৪৪৩ | রাত ৩:০৩

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

Home » বিনোদন » আবারও সুখবর দিলেন মিথিলা

হাসপাতালে সাধারণ রোগীর সংক্রমিত হওয়ার আশংকা

০৪ আগস্ট, ২০২১ | ১২:১৮ অপরাহ্ণ | Mehedi Hasan | 2469 Views

নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগী সনাক্তের জন্য শুরু থেকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা চলে আসছে। আর সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা হচ্ছিল নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টরিয়া) হাসপাতালে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে করোনার সংক্রামনের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় জেনারেল হাসপাতালেও করোনা রোগী সনাক্তে নমুনা টেস্ট শুরু হয়েছে। একই সাথে সেখানে চলছে ডেঙ্গু পরীক্ষাও। ফলে একই হাসপাতালে করোনা ও ডেঙ্গু পরীক্ষার পাশাপাশি সাধারণ রোগীর চিকিৎসা চালু থাকায় করোনা রোগীর সংস্পর্শে সংক্রামিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, করোনার ভ্যাকসিন নিতে প্রতিদিন ওই হাসপাতালে ভিড় করছে বিপুল সংখ্যা মানুষ। বিষয়টি জেনেও পর্যাপ্ত স্থানের অভাবে রোগীদের পরীক্ষা একত্রেই হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে একদিকে করোনার ভয়াবহতা অন্যদিকে বাড়ছে ডেঙ্গু। এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। বর্ষা মৌসুমে চারদিকে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে জন্মাচ্ছে এডিস মশার লাভা। বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

চিকিৎসকের তথ্যমতে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীরে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং চোখে ব্যাথা থাকে, স্বাদ না থাকা হতে পারে। করোনা রোগীর ক্ষেত্রেও এইসব লক্ষণ দেখা যায়।

ভিক্টোরিয়া হাসপাতলের সূত্রমতে, হাসপাতালে সাধারণ রোগীর সাথেই করোনা উপসর্গের রোগীরও  টেস্ট করা হচ্ছে। করোনা ও ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ প্রায় একইরকম হওয়ায় হাসপাতালে আগত রোগীদের করোনা ও ডেঙ্গু দুটো পরীক্ষা করানো হয়। কিন্তু স্থান সংকুলান না থাকায় সাধারণ রোগীদের থেকে এসব রোগীদের আলাদা করা যায় না। একত্রে সব রোগীদের পরীক্ষা করা হয়।

সরজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে রোগীরা বহি.বিভাগ থেকে টিকেট নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছে রোগীরা। অধিকাংশ রোগীদের মুখে নেই মাস্ক। অন্যদিকে হাসপাতালের পরীক্ষকসহ স্টাফদের শরীরে নেই পিপিই। স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করেই চলছে রোগের পরীক্ষা কার্যক্রম।

এ বিষয়ে ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসাদুজ্জামান এই বিষয়ে বলেন, জেলায় করোনা রোগী বাড়ছে। প্রতিদিন পুরো জেলায় প্রায় ২ হাজার রোগীর করোনার নমুনার পরীক্ষা করা হয়। করোনার রোগী ও ডেঙ্গু রোগীর লক্ষণ প্রায় একই। এ কারণে আমরা রোগীদের দুটো পরীক্ষা করছি। হাসপাতালে পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় করোনা ও ডেঙ্গু উপসর্গের রোগীদের সাধারন রোগীদের থেকে আলাদা করা সম্ভব হয়নি। সকল রোগীরা মাস্ক পরিধান করলেই সংক্রামণ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে।

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ এই বিষয়ে বলেন, ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের পাশাপাশি উপজেলায়ও করোনার টেস্ট করা হচ্ছে। বহি.বিভাগ সহ জরুরীবিভাগের রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি হাসপাতালে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এতো রোগীর মাঝে করোনা উপসর্গের রোগীদের আলাদা ব্যবস্থা করে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। করোনা পরীক্ষার জন্য পৃথক ব্যবস্থা করার পর্যাপ্ত স্থান হাসপাতালে নেই।



Comment Heare

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: