আজ: মঙ্গলবার | ১৩ এপ্রিল, ২০২১ | ৩০ চৈত্র, ১৪২৭ | ৩০ শাবান, ১৪৪২ | সকাল ৭:৩৭

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

Home » জাতীয় » মিতা হকের মৃত্যু শোকাহত রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

হেফাজতের হামলার ঘটনায় তৃতীয় রাষ্ট্রের ইন্ধন রয়েছে

০৬ এপ্রিল, ২০২১ | ৩:৪৬ অপরাহ্ণ | বাংলাদেশ বার্তা | 53 Views

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার পিছনে তৃতীয় রাষ্ট্রের উস্কানি রয়েছে এমন মন্তব্য করে ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘হেফাজতের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে তাদের মিটিং-মিছিল সমর্থন করি। এটা তাদের মৌলিক অধিকার।’

সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেজর হায়দার মিলনায়তনে সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘটিত হত্যা ও ধ্বংসাত্মক ঘটনা সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য রাজধানী থেকে ১৪ সদস্যের একটি দল গত ৩ এপ্রিল সেখানে সফর করে। সেই দলের অভিজ্ঞতার বিবরণ তুলে ধরার লক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, আমরা ১৪ সদস্যের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সেখানে স্থানীয় জনগণ, আওয়ামী লীগ, পুলিশ ও হেফাজতের বক্তব্য শুনেছি এবং দেখেছি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে যে, এ হামলার সঙ্গে তৃতীয় রাষ্ট্রের ইন্ধন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রেলস্টেশনে আগুনের ঘটনা সাতদিন আগে ঘটলেও ৩ এপ্রিল আমরা সেখানে গিয়ে দেখেছি আগুন জ্বলছে। এটা কেন? এটা কাকে দেখাতে চান? তাহলে এটা কি হেফাজত ইসলাম নাকি জনগণ নাকি অন্য কোনো তৃতীয় রাষ্ট্র এখানে জড়িত?

জাফরুল্লাহ বলেন, রাজনীতি এখন আমলা ও ব্যবসায়ীদের হাতে চলে গেছে। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের করতে দিন। সেখানকার এমপি একজন আমলা। তার কোনো রাজনৈতিক কর্মী নেই। তার রয়েছে পুলিশ ও হেলমেট বাহিনী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকী। সেগুলো হলো- হতাহতদের তালিকা প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও সঠিক বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি, বায়তুল মোকাররম থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত পুরো ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং অজ্ঞাতনামা হিসেবে ২০ হাজারের অধিক মানুষের নামে যে মামলা দেয়া হয়েছে সেগুলোর নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

গণফোরামের নেতা ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, মানুষ এখনও কথা বলতে পারে না। অজ্ঞাতনামা মামলা দিয়ে মানুষকে আটকানোর সুযোগ হয়েছে। সকলকে এ ধরনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, একটি শিশুর শরীরে গুলিবিদ্ধ অথচ চিকিৎসা নিতে যেতে পারছে না। এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে গণফোরাম নেতা ড. রেজা কিবরিয়া, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফত, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, রাষ্ট্রচিন্তার অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর,গণস্বাস্থ্যের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, নারীর জন্য সুশাসনের নির্বাহী পরিচালক রুবী আমানউল্লাহ, পানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক ও ব্যারিস্টার সাদিয়া আরমান উপস্থিত ছিলেন।



Comment Heare

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: