আজ: বৃহস্পতিবার | ২১ জানুয়ারি, ২০২১ | ৭ মাঘ, ১৪২৭ | ৭ জমাদিউস সানি, ১৪৪২ | সকাল ১১:০৫

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

Home » স্বাস্থ্য » অ্যান্টিবডির আয়ু মাত্র ৭ মাস!

২২ দিন ইলিশ ধরা-বিক্রি নিষিদ্ধ

১৪ অক্টোবর, ২০২০ | ৫:৪৯ অপরাহ্ণ | বাংলাদেশ বার্তা | 277 Views

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে আজ বুধবার থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি, বিপণন, মজুত ও পরিবহন নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে ইলিশ পাওয়া যায়-এমন জলসীমায় এ সময়ে অন্যান্য সব ধরনের মাছ আহরণও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়ছে। গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু হয়েছে।

৩৬ জেলার ১৫২ উপজেলায় ‘মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২০’ পরিচালিত হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতি বছরের মতো এ বছরও ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে। ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি (প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন ফিশ রুলস, ১৯৮৫) অনুযায়ী নিষিদ্ধের এ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর নিষিদ্ধের সময় ছিল ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে শাস্তি দ্বিগুণ হবে। ঢাকা, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নরসিংদী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর. চাঁদপুর, কক্সবাজার, খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা ও ঝালকাঠি- এ ৩৬ জেলায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ) মো. সিরাজুর রহমানকে প্রধান সমন্বয়কারী করে ১০ সদস্যের কেন্দ্রীয় মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। পাঁচটি বিভাগীয় মনিটরিং টিম গঠন করে বিভিন্ন জেলা মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‘মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২০’ উপলক্ষে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খুলেছে মৎস্য অধিদপ্তর। ২২ দিন এই কন্ট্রোল রুমে দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তাও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নিষিদ্ধ সময়ে রাজধানীর বাজারে মনিটরিংয়ের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে আটটি টিমও গঠন করা হয়েছে।

ইলিশ সমৃদ্ধ বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় কর্মরত মৎস্য দফতরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছুটিও ইতিমধ্যে বাতিল করে সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিষিদ্ধ সময়ে সারা দেশের মাছের ঘাট, মৎস্য আড়ৎ, হাট-বাজারে অভিযান চালানো হয়। ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় জেলেদের ভিজিএফের (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) আওতায় চাল দেয় সরকার।



Comment Heare

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: